শামসুল আলম শারেক, টেকনাফ ( কক্সবাজার) ।
আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)’র অধিনায়ক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, অদ্য ২৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ০৫০০ ঘটিকায় উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এর অধীনস্থ জীম্বংখালী বিওপি’র বিশেষ টহল দল দায়িত্বপূর্ন এলাকায় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ৭ নং বিজিবি পোষ্ট সংলগ্ন সেলিম আহম্মেদ এর মাছের ঘের নামক স্থান দিয়ে মায়ানমার হতে ০২ জন ব্যক্তিকে ব্যাগ হাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখতে পায়। বিজিবি টহল দল তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করলে চোরাকারবারীর হাতে থাকা ব্যাগ ফেলে রেখে নাফ নদীতে ঝাঁপ দেয় এবং সাঁতরিয়ে মায়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবি টহল দল উক্ত স্থানে তল্লাশী চালিয়ে ব্যাগের ভিতর থেকে খাকী রঙ্গের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রং এর বায়ুরোধী ১০ কাট আনুমানিক ১০,০০,০০০ (এক লক্ষ) পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। উক্ত স্থানে বিশদভাবে তল্লাশী কার্যক্রম চালানো হলেও আর কোন অবৈধ মালামাল পাওয়া যায়নি।
অপর দিকে উখিয়া ৬৪ বিজিবি’র পালংখালী বিওপির বিশেষ অভিযানে মালিকবিহীন ৮০,০০০ (আশি হাজার) পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
২৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ০৯০০ ঘটিকায় উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এর অধীনস্থ পালংখালী বিওপি’র বিশেষ টহল দল দায়িত্বপূর্ন এলাকায় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গুইজ্জা খাল এর পশ্চিম পাশ দিয়ে মায়ানমার হতে ০১ জন ব্যক্তিকে পোটলা হাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখতে পায়। বিজিবি টহল দল তাকে চ্যালেঞ্জ করলে চোরাকারবারীর হাতে থাকা পোটলা ফেলে রেখে নাফ নদীতে ঝাঁপ দেয় এবং সাঁতরিয়ে মায়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবি টহল দল উক্ত স্থানে তল্লাশী চালিয়ে পোটলার ভিতর থেকে খাকী রঙ্গের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রং এর বায়ুরোধী ০৮ কাট আনুমানিক ৮০,০০০ (আশি হাজার) পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। উক্ত স্থানে বিশদভাবে তল্লাশী কার্যক্রম চালানো হলেও আর কোন অবৈধ মালামাল পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় পলাতক চোরাকারবারিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে ঘটনাস্থল ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে পলাতক চোরাকারবারিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
উখিয়া বিজিবি’র অধিনায়ক আরও জানান, মাদক সরবরাহকারী এবং জড়িত চোরাকারবারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। ###