শামসুল আলম শারেক, টেকনাফ ( কক্সবাজার) ।

টেকনাফে ২ বিজিবি ও এনআরবি'র যৌথ অভিযানে ১ লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ও একটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা সহ ৪ মাদক পাচারকারী কে আটক করেছেন।

অদ্য ০১ নভেম্বর ২০২৬ তারিখ দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধীনস্থ নাজিরপাড়া বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ আলুগোলা পোস্ট সংলগ্ন নাফ নদী দিয়ে মায়ানমারের মংডুখাল হতে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনীর পরিকল্পনায় নাজিরপাড়া ও সাবরাং বিওপি’র টহল দল নাফ নদীর সম্ভাব্য প্রবেশপথে কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করে।

পরবর্তীতে, যৌথ আভিযানিক দল নাফ নদীতে অভিযান পরিচালনা করে বিএসপি পোস্ট হতে আনুমানিক ৩০০ মিটার পূর্ব দিকে এবং শূন্যলাইন হতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ২০০ মিটার দূরে একটি সন্দেহভাজন ইঞ্জিনচালিত নৌকাসহ ০৪ জন মাদক কারবারিকে আটক করে। এ সময় আভিযানিক দলের উপস্থিতি টের পেয়ে নৌযানে থাকা মাদক কারবারিরা ইয়াবার চালান নদীতে ফেলে দেয়। পরবর্তীতে নদীতে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে ভাসমান অবস্থায় ফেলে দেওয়া ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

আটককৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে

-১ লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা,

একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা,ও

০২টি মোবাইল ফোন,

আটককৃত মাদক কারবারিরা হলেন

আঃ খালেক (২৫), পিতা- মৃত শাহাব উদ্দিন, মাতা- মৃত নূর বেগম, গ্রাম- উত্তর জালিয়াপাড়া, ০৭ নং ওয়ার্ড, টেকনাফ সদর ইউপি, পোস্ট- টেকনাফ পৌরসভা, থানা- টেকনাফ, জেলা- কক্সবাজার।

নূর ফয়সাল (২৫), পিতা- সৈয়দ হোসেন, মাতা- রহিমা খাতুন, গ্রাম- উত্তর জালিয়াপাড়া, ০৭ নং ওয়ার্ড, টেকনাফ সদর ইউপি, পোস্ট- টেকনাফ পৌরসভা, থানা- টেকনাফ, জেলা- কক্সবাজার।

মিজানুর রহমান (২৪), পিতা- ফয়েজ রহমান, মাতা- হাজেরা খাতুন, গ্রাম- পুরাতন পল্লান পাড়া, ০২ নং ওয়ার্ড, ইসলামাবাদ, থানা- টেকনাফ, জেলা- কক্সবাজার,ও

হাফেজ আহম্মদ (২৯), পিতা- মৃত বদিউর রহমান, মাতা- জান্নাত বেগম, ১৪ নং এফডিএমএন ক্যাম্প, ব্লক- বি/৩ বলে জানাযায়।

আটককৃত আসামী ও জব্দকৃত মাদকদ্রব্য এসআরবি কর্তৃক নিয়মিত মামলা রুজু করে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে টেকনাফ ২ বিজিবি ও এসআরবি টেকনাফ অফিস সুত্রে নিশ্চিত হওয়াযায়।