নিজস্ব প্রতিবেদক

উখিয়া উপজেলার কৃষি নির্ভর এলাকা পাগলির বিল রামু উপজেলার দারিয়ার দীঘি বড় ঢেবা, হলুদিয়ার উত্তর বড় বিলসহ বিশাল জনগোষ্ঠীর বুরো চাষাবাদের এক মাত্র অবলম্বন পাগলির বিল রাবারড্যাম। এই কোটি টাকার সরকারি সম্পদ কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়ে আসছে ২০০৫ সাল থেকে। প্রতি বছরের ন্যায় এই বারও মেরামত করে ঠিক করা রাবার ব্যাগ হওয়ায় পানি ধারণের ক্ষমতা কম থাকায় ঠিক মতো পানি পাওয়ার আশায় আগে ভাগে রাবার ব্যাগ ফুলানোর উদ্যোগ নেন পাগলির বিল সিকদার পাড়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লি: কতৃপক্ষ। যেটা উপজেলা এলজিইডি কতৃপক্ষকে অবগত করলে উপজেলা ইন্জিনিয়ার শাহ পরানের নেতৃত্বে একদল প্রতিনিধি ৪ নভেম্বর রাবার ব্যাগ ফুলাতে আসেন।তখনই উপজেলা বিএনপির এক শীর্ষ নেতা ও প্রভাবশালীদের চাপের মুখে রাবার ব্যাগ না ফুলিয়ে চলে যান উপজেলা এলজিইডি কতৃপক্ষ। সময় মতো রাবার ব্যাগ ফুলাতে এসে না ফুলিয়ে চলে যাওয়ার কারণ জানতে উপজেলার সহকারী প্রকৌশলী শাহ পরাণকে ফোন দিলে কেন রাবার ব্যাগ না ফুলিয়ে চলে যান সে বিষয় কথা বলতে চাননিই তিনি উপজেলা প্রকৌশলীর সাথে কথা বলতে বলেন।এই প্রতিবেদক উপজেলা প্রকৌশলী তহিদুল ইসলামকে ফোন দিলে তিনি জানান রাবার ড্যাম এলাকায় একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট চলছে তাই উপজেলা বিএনপির এক শীর্ষ নেতার ফোনে নিষেধ করায় তাদের লোক রাবার ব্যাগ না ফুলিয়ে চলে যেতে বাধ্য হয়। ।তখন জানতে চাই এতে ১৬ শত কৃষকের ১২ শত হেক্টর জমি চাষের জন্যে পানি না পেলে এর দায় কে নেবেন? তিনি এটাী জন্য দু: খ প্রকাশ করে সাপ্তাহের মধ্যে রাবার ব্যাগ ফুলানোর আশ্বাস দেন। চাষাবাদের ব্যাঘাত করে ফুটবল খেলার জন্য রাবার ব্যাগ ফুলাতে বাধা দেয়ার বিষয়টি জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আকতার মহোদয় জানান, তিনি বিষয়টি অবগত নয় এ বিষয়ে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলীর সাথে কথা বলবেন।তিনি বলেন সরকার কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কৃষিতে ভর্তুকিসহ কৃষক বান্ধব বিভিন্ন কাজ করে যাচ্ছেন দেশের কৃষক ও কৃষির উন্নয়নে এমন অবস্থায় কৃষকদের ক্ষতি হয় এমন কোন কাজ করা যাবেনা।এদিকে পাগলির বিল রাবার ড্যাম ব্যাগ না ফুলিয়ে চলে যাওয়ায় হাজার হাজার কৃষক পরিবারে বিরাজ করছে চরম ক্ষোভ ও হতাশা। পাগলির বিল সিকদার পাড়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লি: ( পাবসস) সভাপতি এডভোকেট হুমায়ুন কবির চৌধুরী রাবার ড্যাম ফুলানোর জন্য উপজেলা প্রকোশলীকে অনুরোধ করলে তিনি আজ সময় দেন। আজকে না ফুলালে খালে পর্যাপ্ত পানি হবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে আগামী মৌসুমের চাষের জন্যে চিন্তা করেন। মৌসুমের চাষের জন্যে চিন্তা করেন। ঘটনায় হতাশা প্রকাশ করে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহ জালাল বলেন আমরা অসহায়, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ ছৈয়দ এমন ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন কৃষি ও কৃষকের এত বড় ক্ষতি মেনে নেয়ার মতো নয়। পরিচালনা কমিটির সদস্য বাবুল মিয়া মাহমুদসহ এলাকার কৃষক সমাজ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও শাহজাহান চৌধুরী এমপি মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।বিশাল ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছে উখিয়া ও রামু উপজেলার কৃষকরা।